অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম পাহাড়ে যাব। যেখানে জঙ্গল, নদী, চিরসবুজ পাহাড়, ঝর্ণা ও বরফে ঢাকা পাহাড় সবই একসাথে পাওয়া যাবে। ইন্টারনেট ঘেঁটে অবশেষে ঠিক করলাম সব কিছু একসাথে পেতে হলে ভারতবর্ষের মিনি সুইজারল্যান্ড উত্তরাখন্ডের মত রাজ্যই সঠিক। যেখানে শুধুমাত্র পর্যটন কেন্দ্র নয় চারধামের মত পৃথিবী বিখ্যাত তীর্থ স্থানও রয়েছে। শুরু হলো তোড়জোড়। প্রথমে ঠিক করলাম কলকাতা থেকে গাড়ী নিয়েই যাব। পরে কিছু বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে ঠিক করলাম কলকাতা থেকে বিমানে দিল্লী গিয়ে ওখান থেকে গাড়ী নিয়ে ঘুরে আবার দিল্লী ফিরে এসে ট্রেনে করেই কলকাতা ফিরবো। সেই মতো দিল্লী থেকে আমার ভাইয়ের টয়োটা ইটিয়স গাড়ী নিয়েই পাড়ি দিলাম। এটাই প্রথমবার আমার পাহাড়ে গাড়ী চালানোর অভিজ্ঞতা নয়। এর আগে নিজে গাড়ী চালিয়ে ভূটান, নেপাল, দার্জিলিং ঘুরে এসেছি। কিন্তু যেহেতু উত্তরাখন্ডের কুমায়ুন ও গাড়োয়ালের রাস্তা প্রায়শই ধ্বস নেমে বন্ধ হয়ে যায় তাই একটু ভয় ভয়ই লাগছিল। এবার আসা যাক অভিজ্ঞতার কথায়। আমি পর্ব অনুযায়ী আপনাদের ছবিসহ সামান্য কিছু তথ্য দিয়ে শুরু করছি।
আজ পর্ব – ১
কলকাতা – দিল্লী।
রাত তিনটেয় বাড়ী থেকে আগেই বুক করে রাখা ওলা করে এয়ারপোর্টে পৌঁছে চেক ইন করে এক কাপ কফি খেয়ে গো এয়ার বিমানে উঠে পড়লাম। ঠিক ৬:৫৫ তে বিমান পাড়ি দিল দিল্লীর উদ্দেশ্যে। সকাল আটটায় বিমানবন্দর নেমে ভাইয়ের পাঠানো গাড়ীতে গুরগাঁওতে পৌঁছলাম। এদিন বিশ্রাম নিলাম ও ভাইয়ের সাথে গাড়ী ও রাস্তাঘাট নিয়ে আলোচনা করেই কাটালাম।