কার্শিয়াংয়ে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে পর্যটক উৎসবের আয়োজন

পাহাড় মানেই দার্জিলিংকে চেনে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা।অথচ কার্শিয়ং পার করে গেলেও এই শহরকে কেউ চেনেনা,জানেনা।তাই এই শহরকে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে দিতে এবার উদ্যোগ নিলো গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল আডমিনিষ্ট্রেশন (জিটিএ)।আগামী মাসেই পর্যটন উৎসব করবেন তারা।

দেশ-বিদেশ থেকে ফি বছর পর্যটকরা আসেন পাহাড় ঘুরতে।তারা সকলেই দার্জিলিং যায়।কিন্তু কেউই কার্শিয়ং ঘুরতে যায়না।তা নিয়েই আক্ষেপ থেকে গিয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের।কারণ এই শহরেও প্রচুর ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে তা অনেকেই জানেনা।এবার এই উৎসবের মাধ্যমে সেইসব তুলে ধরা হবে পর্যটকদের কাছে।দার্জিলিং এ ফি বছর হলেও কার্শিয়ং এ উৎসব সবসময় হয়না।তাই এবার বড় করে এই উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।এবিষয়ে সোমবার শিলিগুড়ি জার্নালিষ্ট ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে কার্শিয়ং ট্যুরিজম আন্ড সোস্যাল ডেভলোপমেন্ট সোসাইটির পক্ষে রুধীর গুরুং জানালেন, “আমরা পর্যটন উৎসব করছি কিছু লক্ষ্য নিয়ে।আমাদের মুল লক্ষ্যই হলো কার্শিয়ংকে পর্যটন মানচিত্রে তুলে আনা।তার জন্যই আমরা ১৮থেকে ২০অক্টোবর পর্যন্ত উৎসবের ব্যাবস্থা করেছি।এই উৎসবে স্থানীয় শিল্পীরা এই শহরের সংস্কৃতি তুলে ধরবে।আমরা চাই পর্যটকরা দেখুক আমাদের শহরের সংস্কৃতি যাতে তারা আমাদের শহরেও ঘুরতে আসবে।রবিবারই আমাদের হোটেল ও হোম স্টের মালিকরা জানিয়েছেন এখন আগের থেকে অনেক বেশী পর্যটক এই শহরে আসেন।আর আমরা আমাদের উৎসবে ডিএইচআর,ডাউহিল,নেতাজী মিউজিয়াম সহ আরও বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থানকে জায়গা দিয়েছি।এছাড়াও ডগ শো,ফোটো কনটেস্ট,বক্স কার্ট রেসিং সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান রয়েছে।এই শহরের পর্যটন ব্যাবস্থা আরও উন্নত করার জন্যই আমাদের এই পদক্ষেপ।আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তুলে ধরতেই স্থানীয় শিল্পীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।আগেও পর্যটন উৎসব হতো কিন্তু এত বড় করে হতোনা।আমরা চেয়েছি নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়া।তাই বাইরে থেকে কোনও কাউকে আনা হবেনা।আর আমরা আশাবাদী আমাদের এই উৎসবের পর পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে।পর্যটন মানচিত্রে আমাদের শহরের নাম ঢোকানোর জন্য জিটিএ চেয়ারম্যান অনীত থাপাও আশ্বাস দিয়েছেন”।