এবার শীতে যাত্রা হোক দাড়িংবাড়ি (পূর্বের কাশ্মীর)

সামনেই আসছে দুর্গা পুজো।বাঙালীর মনোরঞ্জনের শ্রেষ্ঠ সময়।সেইসাথে ভ্রমণেরও।পুরী,কোনারক,চিল্কা,উদয়পুর,তাজপুর ছাড়াও ওড়িশার বুকে রয়েছে আরও এক মনমুগ্ধকর ভ্রমণের পরিবেশ। অনেকের কাছেই অজানা হলেও একেই কিন্তু বলা হয় ‘ওড়িশার কাশ্মীর’।প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ।নাম দারিংবাড়ি।কি নেই সেখানে!নদী-ঝরণা-পাহার।অসাধারণ এক গ্রাম।একটু বেশি শীতে গেলে হয়ত বরফের দেখাও মিলতে পারে।এখানেই শেষ নয়! আছে পাইন শালের জঙ্গল, কফি বাগান,মশলার ক্ষেতও!আছে বিভিন্ন ধরণের প্রজাপতি,পাখি।পাখিরালয় থেকে পার্ক সবই পাবেন।গভির শীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে বরফও।

উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলায় সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৯১৫ মিটার উচ্চতায় এই পার্বত্যময় জায়গাটি রয়েছে।পূর্বঘাট পর্বতশ্রেণির বিভিন্ন ধরণের শৃঙ্গগুলি উঁচুনিচু তরঙ্গায়িত ছন্দে শহরটিকে ঘিরে আছে। অপূর্ব নৈসর্গিক পরিবেশ ছড়িয়ে রয়েছে চারিদিকে।ঘন রেন ফরেস্ট, বন্য জন্তুর আনাগোনা সব মিলিয়ে প্রকৃতি প্রেমিকদের জন্য আদর্শ স্থান।আরও জানিয়ে রাখি- সেখানকার স্থানীয় কুই ভাষায় ‘দারিং’ শব্দের অর্থ হল উপত্যকা আর ‘বাড়ি’ মানে ঘর।অর্থাৎ উপত্যকার বাড়ি।

কিভাবে যাবেন-

ভুবনেশ্বর থেকে দারিংবাড়ির দূরত্ব প্রায় ২৫০ কিলোমিটার।আর ব্রহ্মপুর থেকে ১২০ কিলোমিটার।অথবা দারিংবাড়ির নিকটতম রেল স্টেশন গঞ্জাম জেলার ব্রহ্মপুর থেকে সড়ক পথে ১২০ কিমি. দূরের জায়গাটিতে সহজেই পৌঁছান যেতে পারেন।সেখান থেকে সহজেই নিজের পছন্দ মত গাড়ি ভাড়া করে নিন।

থাকার জায়গা রয়েছে বেশ কয়েকটি। হোটেল ইউটোপিয়া,ডিয়ার ইকো হোম বা পিডব্লিউডি’র বাংলোয় থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন হোটেল তো রয়েছেই।