আগামী অমাবস্যার তিথিতে আপাময় বাঙালী এক সাথে পবিত্র চিত্তে শ্যামা মায়ের চরনে অর্ঘ্য নিবেদন করতে সংকল্প করেছে এবারে। তাই হাতে সময় নেই বল্লেই চলে। তার প্রতিটি পূজা কমেটির ব্যস্ততা তুঙ্গে। আর কালি পূজার সাথে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের নাম টা অন্তরঙ্গের মিল রয়েছে। সেই কারনে জেলার যেসব বিগ বাজেটের কালি পূজা হয়ে থাকে সেগুলির মধ্যের বেশির ভাগ কালিয়াগঞ্জের। কালিয়াগঞ্জের বিগ বাজেটের পূজার মধ্যে অন্যতম হাসপাতাল পাড়ার অগ্নিবীনা ক্লাবের কালি পূজা। প্রতিবারি এই পূজা কমেটি থিমের উপহার দিয়ে থাকে জেলা বাসিকে। এবারো তাদের পূজা ৪৬ তম বর্ষে পদার্পন করেছে। এবারের তাদের থিক আমাদের পরিবেশের ভারসম্য নষ্ট করেদেওয়া প্লাসিকের বোতল,,জার,ক্যারিব্যাগ দিয়ে কাল্পনিক পূজা মন্ডপ।

পূজা কমেটির সভাপতি অলোক পাল যানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্লাস্টিক জাতিও যামগ্রী যা আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে যাতে কেউ না ব্যবহার করে সে বিষয়ে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে প্রচার চালাচ্ছে।সেই ক্ষতিকার প্লাস্টিকের বোতল,জার,ক্যারিব্যাগ যাতে সাধারন মানুষ ব্যবহার না করে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে। তাই সাধারন মানুষদের সচেতন করতে প্লাস্টিকের সামগ্রীদিয়ে একটি কাল্পনিক মন্দির তৈরী হচ্ছে অগ্নিবীনা ক্লাবের। মন্দির তৈরীর দায়িত্বে আছে মালদার শিল্পীরা। কালি মা কে দেখা যাবে নটরাজ রুপে।দায়িত্বে আছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার মৃৎ শিল্পী।আলোক সজ্জায় কোন খামতি রাখেনি অগ্নিবীনা ক্লাব।চন্দন নগরের আদলে ডিজিটাল আলোক সজ্জা। সব মিলিয়ে পূজা প্লাস্টিকে সামগ্রীদিয়ে তৈরী তাদের পূজা মন্ডপে প্রচুর মানুষের ঢ্ল নামবে বলে মনে করছে পূজা উদ্যোক্তারা। তাদের এবারের কালি পূজায় আনামানিক খরচ ধরা হয়েছে সাড়ে চার লক্ষ থেকে পাচ লক্ষ টাকা। তাই এখোন শেষ পর্বের কাজ চলছে অগ্নিবীনা ক্লাবের পূজা মন্ডপের।

ছবি ও তথ্য– রেখা রায়,উত্তর দিনাজপুর