আইনজীবী খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। শুক্রবার দুই অভিযুক্তকে নিয়ে অকুস্থলে অর্থাৎ আইনজীবী মিতালী ঘোষের বাড়ি পৌঁছান এস ডি পি ও আমিরুল ইসলাম খান । সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি কোথা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে কিভাবে মিতালী ঘোষকে খুন করে তার পুনর্নির্মাণ করা হয়। এস ডি পি ও বলেন , এখনও তদন্ত শেষ হয়নি। তবে এই পুনর্নির্মাণ তদন্তে অনেকখানি সাহায্য করবে।উল্লেখ্য , খুনের এক সপ্তাহের মাথায় জামালপুরের আইনজীবী খুনের ঘটনায় পুলিশ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে | তাদের নাম প্রশান্ত ক্ষেত্রপাল ও সুজিত ঘড়ুই | ধৃতরা তাদের দোষ কবুল করেছে বলে জানিয়েছেন বর্ধমানের পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়।গত ২৭ তারিখে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতের সিভিল ও ক্রাইম এর বিশিষ্ট আইনজীবী মিতালী ঘোষের হাত পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার হয় নিজ বাড়ি থেকে। ঘটনাটি জামালপুর থানা অন্তর্গত আঝা পুর গ্রামের পূর্ব পাড়ার।
এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায় বর্ধমান জেলা জুড়ে।জানাযায় মিতালী ঘোষের স্বামী না থাকায় তিনি একাই বাড়িতে থাকতেন। পরিচারিকা চাঁপা ধারার সঙ্গে শেষ দেখা হয়। ওইদিন সকাল সাতটা নাগাদ বাড়ির কাজে আসেন পরিচারিকা চাঁপা ধারা, তিনি এসে নক করেন এবং অনেকক্ষন ধরে কলিং বেল বাজিয়েও সারা না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডাকেন চাঁপা,কাঠের ময় নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন ভেতর থেকে কব্জা বন্ধ রয়েছে হাত পা বাঁধা অবস্থায় মরে পরে রয়েছে ,জামালপুর থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটস্থলে পুলিশ এসে দেখেন আলমারীতে থাকা সোনা রুপা টাকা খোয়া গেছে ,পুলিশের অনুমান কোনো ডাকাতদল এই ঘটনার পরিনাম দিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়ায় জেলা জুড়ে। বর্ধমান বার এসোসিয়েশনের আইনজীবীরা কর্মবিরতি পালন করেন। প্রতিবাদ মিছিল হয়। সারা রাজ্যের আইনজীবীরা খুনির গ্রেপ্তারের দাবীতে পথে নামেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্তে আসে সি আই ডির ফরেনসিক দল। বহু সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরিচারিকা এবং এলাকার বাসিন্দাদের নজরে রেখেছিল পুলিশ। অবশেষে গ্রেপ্তার দুই দুষ্কৃতী।