আর্থ -সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা ছাত্র ছাত্রীদের জন্য এই উদ্যোগ.

আর্থ -সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা খাগড়া এলাকার ৪০ জন ছাত্র ছাত্রীকে নিয়ে গড়ে উঠেছে সম্পূর্ণভাবে অবৈতনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “অবৈতনিক শিক্ষাদান ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র”। এই কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবছরও খাগড়া জি টি আই স্কুলে কম্পাউন্ডে এই কেন্দ্রের পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হল শিক্ষাসামগ্রী। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক দাস, শিক্ষক গোলাম নবী সরকার, শিক্ষক সন্ন্যাসী কাউরি, সমাজসেবী জয়ন্ত চৌধুরী, তাপস গোস্বামী, শিক্ষা কেন্দ্রের অবৈতনিক প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক কুশলকুমার বাগচী প্রমুখ। এদিন প্রত্যেক পড়ুয়ার হাতে খাতা, কলম, চকলেট তুলে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, খাগড়া জি টি আই স্কুল কমাউন্ডে সপ্তাহে চারদিন প্রায় ৪০ জন ছাত্র -ছাত্রীকে অবৈতনিকভাবে শিক্ষাদান করা হয় এবং তাদের সারাবছর ধরেই শিক্ষা সামগ্রী হিসাবে ব্যাগ, বই, খাতা, কলম, টিফিনবক্স, জলের বোতল, পেনসিল বক্স, রং ইত্যাদি প্রদান করা হয়। এমনটাই জানান এই শিক্ষা কেন্দ্রের অবৈতনিক শিক্ষক কুশলকুমার বাগচী। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে প্রতিবছর জি টি আই স্কুলের মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মতিঝিল পার্কে পিকনিক, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে। এই অবৈতনিক শিক্ষা কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য জি টি আই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড: সন্দীপ দাশগুপ্ত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানান কুশলকুমার বাগচী।