পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২ নং ব্লকের নওয়াপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় ঘোড়ানাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় জগদানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ঘোড়ানাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ডেঙ্গু বা পতঙ্গবাহিত রোগ প্রতিরোধে একটি সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল ঘোড়ানাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত হলে।মঙ্গলবার ঘোড়ানাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম-দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, কুইজ,আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।কুইজ প্রতিযোগিতায় মোট ৬ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।কুইজ প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের মধ্যে প্রথম হয় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র রক্তিম চক্রবর্ত্তী ও ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম হয় দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী উষা গুঁই।
তারপর একটি পদযাত্রা হয়।এদিন বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে একটি পদযাত্রা করে।

এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে ও পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তার পার্থপ্রতীম কাঞ্জী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বরুপ ঘোষ,সহ শিক্ষক অপূর্ব মজুমদার,শিক্ষক কৌশিক মণ্ডল,শিক্ষক বিশ্বজিৎ পাল,শিক্ষক বৈদ্যনাথ হাঁসদা,শিক্ষিকা নিবেদিতা সমাদ্দার সহ সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এ এন এম ও আশাকর্মীরা।
পদযাত্রায় ছাত্র-ছাত্রীরা শ্লোগান দিয়ে বলে
,এলাকায় কোনো রকম জল জমতে দেওয়া যাবে না, দ্রুত জমা জল নিকাশী করে দেওয়া দরকার।কারণ জমা জল থেকেই ম্যালেরিয়া,ডেঙ্গু মশা তৈরি হয়।এখন স্বাস্থ্য দপ্তরে বিনামূল্যে ম্যালেরিয়া রোগের চিকিত্‍সা করা হচ্ছে তাই ভয়ের কোনো কারণ না থাকলেও সকলকে সচেতন হতে হবে এইসব রোগের হাত থেকে নিজেদেরকে বাঁচাতে।অব্যবহৃত টায়ার খোলা জায়গায় রাখব না।বাড়ির আশেপাশে কলাগাছ লাগব না।নর্দমা,পুকুর, ক্যানেল ইত্যাদিতে কোনো আর্বজনা ফেলব না।পাড়ার পুকুরগুলিতে পানা,বিশেষভাবে টোপাপানা জন্মাতে দেব না। অব্যবহৃত সমস্ত পাত্র উল্টে দেব।যেকোনো রকম জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নেব।সারাবছর রাত্রে মশারি টাঙিয়ে শোব।ফুলদানির জল ও রেফ্রিজারেটরের নিচের ট্রে তে জমা জল ঘন ঘন ফেলে দেব।
ছবি ও তথ্য গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী, পূর্ব বর্ধমান।