অসমের এন আর সি প্রভাবে ,ক্ষতির মুখে আলিপুরদুয়ারের মৃৎশিল্পীরা ।

। প্রতিবছর প্রতিবেশী রাজ‍্য অসম থেকে প্রতিমা নির্মাণের বরাত পেতেন আলিপুরদুয়ারের পাল পাড়ার মৃৎশিল্পীরা অসমের বিভিন্ন পূজো কমিটিরা যোগাযোগ করতো আলিপুরদুয়ারে পালপাড়ায় কিন্ত এবছর চিত্রটা একদম ভিন্ন । আলিপুরদুয়ার নোনাই পুল পাল পাড়া এখানে
মোট শিল্পী পরিবার ২৫।
গড়ে প্রতিমা তৈরি হয় ২০ টি।।
প্রতি বছরই পার্শ্ববর্তী রাজ্য অসম থেকে মেলে প্রতিমার বরাত । বাংলায় প্রতিমার দাম সেভাবে না মিললেও, অসমে সেভাবে প্রতিমা শিল্পী না থাকায় এপাড়ের শিল্পীদের কদর অনেক বেশি। বাংলায় গড়া প্রতিমা অসমে পাঠালেই মেলে দিগুণ মুনাফা। দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধির বাজারে কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পেত আলিপুরদুয়ারের পাল পাড়ার মৃৎশিল্পীরা। তাই অনেক আগে থেকেই ঋণ করে চলে প্রতিমা বানানোর প্রস্তুতি।
তবে সবকিছুতেই বাধ সাধলো অসমের নাগরিক পঞ্জিকরন এন.আর.সি। হাতে গুনে দু-চারটে প্রতিমার বরাৎ মিললেও। অসমের পুজো কমিটির কেউই এখনও যোগাযোগ করেন নি এই পাল পাড়ায়। এবং এর কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে মৃৎশিল্পীদের । পালপাড়ার এক মৃৎশিল্পী জানান যে এখন ওবধি কেউ যোগাযোগ করেনি আর দু একজন যারা যোগাযোগ করেছে অন‍্য বছরের তুলনায় এবছর তাদের বাজেট কম ।
এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার ২ নং ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনুপ দাস জানান আমাদের এখানকার পাল পাড়ার মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা অন‍্যান‍্য জেলায় ও অসমে যেত কিন্ত এবছর ওরা অসম থেকে কোনো বরাত পায়নি বললেই চলে এর জন‍্য খুব বিপাকে পড়েছে মৃৎশিল্পীরা