30 C
Kolkata
Tuesday, August 16, 2022
Homeরাজ্যবহরমপুর পুরসভা শহরের সব পুজো কমিটিকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করবে

বহরমপুর পুরসভা শহরের সব পুজো কমিটিকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করবে

দুর্গা পুজোর ‘হেরিটেজ’ তকমা পাওয়ার মুহূর্তটিকে স্মরণে রাখতে এবছর বহরমপুর পুরসভা শহরের সব পুজো কমিটিকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করবে

আর মাত্র ক’দিন বাদেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব। এবারের শারদ উৎসব বাঙালির কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ,কারণ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব পেয়েছে ইউনেস্কোর ‘হেরিটেজ’ তকমা।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন এবছর দুর্গা পুজোর উৎসবের সূচনা হবে পুজোর একমাস আগে থেকে। এই উপলক্ষে কলকাতাতে আগামী মাসে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ পদযাত্রার আয়োজন করা হচ্ছে।
ইউনেস্কোর ‘হেরিটেজ’ তকমা পাওয়ার মুহূর্তটিকে স্মরণে রাখতে এবং জেলার দুর্গা পুজোগুলোকে উৎসাহ দিতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বহরমপুর পুরসভা।
২০২২ সালে প্রথমবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বহরমপুর পুরসভাতে বোর্ড গঠন করেছে । বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখার্জি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবার বহরমপুর পুর এলাকাতে যে সমস্ত দুর্গাপুজোগুলো অনুষ্ঠিত হয় তাদেরকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য পুরসভার তরফ থেকে প্রত্যেক পুজো কমিটিকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার রেজিস্টার্ড পুজোগুলোকে সরকারের তরফ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখার্জি বলেন,’ দুর্গাপুজোর আগে আমরা বহরমপুর শহরকে সাজিয়ে তোলার দিকে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছি। পুজোর ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে মানুষ যাতে যানজটের কবলে না পারেন সে কারণে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সাজানোর নজর দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তেমনই শহরের ‘রোড ডিভাইডার’গুলো দ্রুত তৈরি করার কাজ চলছে।’
তিনি জানিয়েছেন,’ শহরে যানজট এবং দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য পুরসভা এবছর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোনও দুর্গাপূজা কমিটিকে ‘ওভারহেড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট গেট’ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।’
পুরসভার চেয়ারম্যান জানান,’ রাজ্য সরকার প্রত্যেক বছরই দুর্গাপূজা কমিটিগুলোকে কিছু আর্থিক সাহায্য করে থাকে। এবছর বহরমপুর পুরসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুর এলাকাতে যে ৫০০-৫৫০ টি দুর্গা পুজো হয় তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। এই টাকা পুজো কমিটিগুলো প্যান্ডেল নির্মাণ, ঠাকুর তৈরী বা অন্যান্য খাতে খরচ করবে।’
নাড়ুগোপালবাবু বলেন,’ পুজোর চারদিন বাঙালি অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠে। আমাদের আশা পুরসভা যে আর্থিক সাহায্য পুজো কমিটিগুলোকে করবে তা দিয়ে শহরের পুজো কমিটিগুলো আরও ভালোভাবে তাদের পুজো প্যান্ডেল সাজিয়ে তুলবেন। কোভিড অতিমারির প্রকোপ কমে আসাতে প্রায় দু’বছর পর প্রচুর মানুষ পুজোর চার দিন আরও বেশি করে আনন্দ করতে পারবেন। ‘

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments